Saturday, November 18, 2023

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ভোগান্তির শেষ কোথায়? | Birth Certificate Correction

 জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ভোগান্তির শেষ কোথায়?

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে কমছে না ভোগান্তি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এক মাস ধরে নিজস্ব সার্ভার ব্যবহার করলেও তা দিয়ে মিলছে না সব সেবা। এদিকে, সার্ভারের ধীরগতির কোনো ব্যাখ্যা নেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের।


                                            https://www.youtube.com/watch?v=Ti13y5NfHIw





সংলাপের পার্ট শেষ: ওবায়দুল কাদের

 

২৮ অক্টোবরের সংঘর্ষ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “সেদিন তারা নিজেরাই নিজেদের আন্দোলনকে বন্ধ করেছে। আমাদেরকে ফাঁদে ফেলতে গিয়ে নিজেরা ফাঁদে পড়েছে।”


আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।


নিজস্ব প্রতিবেদক: আরজে নিউজ বিডি ২৪

নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “সংলাপের পার্ট শেষ।”

রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের এই অবস্থানের কথা তুলে ধরেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

বিএনপিকে ‘সন্ত্রাসী দল’ আখ্যা দিয়ে কাদের বলেন, “সংলাপ সন্ত্রাসের সঙ্গে হয় না। তারা সন্ত্রাসী দল, এবার আরও প্রমাণ করেছে।

“তারা আগুন সন্ত্রাসী দল, এই দলের সঙ্গে সংলাপ হতে পারে না। সংলাপের পাট শেষ। এক সময় বলেছিলাম কন্ডিশন তুলে নাও, আমরা ভেবে দেখব। এখন তারা যা করেছে, সংলাপের কোনো পরিবেশ নেই।"

কিছুদিন আগে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে বিরোধে উদ্ভুত রাজনৈতিক সংকটের সমাধানে ‘নিঃশর্ত সংলাপে’র আহ্বান জানান।



কিন্তু ‘খুনিদের সঙ্গে সংলাপ’ নয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়ে দেন শেখ হাসিনা। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছিলেন, সংলাপের দরজা এখনও ‘বন্ধ হয়নি’। তিনি বলেছিলেন সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে আওয়ামী লীগ ‘শর্তহীন আলোচনায় রাজি আছে।

আওয়ামী লীগকে ফাঁদে ফেলতে গিয়ে নিজেরাই ফাঁদে

গত ২৮ অক্টোবর নয়া পল্টনের অদূরে কাকরাইল ও বিজয়নগরে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর দলটি সমাবেশ চালিয়ে না গিয়ে যে হরতালের ডাক দিয়েছে, তাতে তারা ফাঁদে পড়েছে বলেও মনে করেন কাদের।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, “নিজেদের আন্দোলন নিজেরাই ভণ্ডুল করেছে। সেদিন তারা নিজেরাই নিজেদের আন্দোলনকে বন্ধ করেছে। আমাদেরকে ফাঁদে ফেলতে গিয়ে নিজেরা ফাঁদে পড়েছে।”

সেই সংঘর্ষের দিন সরকারি সম্পত্তিতে হামলার মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেপ্তার নিয়ে তিনি বলেন, "যে বড় নেতারা আটক হয়েছে, তারা একজনও কি দায় এড়াতে পারবে? পুলিশ হত্যা থেকে শুরু করে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ, পুলিশের ওপরে হামলা, বাস পুড়িয়ে হেলপার মারা, হাসপাতালে গিয়ে হামলা চালানো, এইসব দায় মির্জা ফখরুলসহ কেউ কি এড়াতে পারে?

“যদি বিচারের কাঠগড়ায় তাদেরকে দাঁড় করানো হয়, একজনও এড়াতে পারে না। নেতাদের নির্দেশে এইসব অপকর্ম হয়েছে। সন্ত্রাস হয়েছে। কানাডার আদালত যথাযথ বলেছে, এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।"

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, "আওয়ামী লীগকে কখনো বঙ্গোপসাগরে ফেলে, কখনো কর্ণফুলীতে ফেলে, আবার কখনো বুড়িগঙ্গায় ফেলে, এখন নিজে কোথায় গেছে? খবরই নেই।"


‘তারা কী না করতে পারে?’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ‘উপদেষ্টা’ পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক মিয়া আরেফীর বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করা নিয়ে কাদের রাখেন, "সেদিন তারা (বিএনপি) যে নাটকটি সাজিয়েছে, আপনারাই বলুন এই দল কী না করতে পারে?..।

“বাইডেন তো দূরে থাক, তার বাড়ি উল্লাপাড়া। ২৮ তারিখ কথিত সরকারের পতনের দিন সে সেখানে কী করে এল? তাকে নিয়ে আসা হয়েছে।”

প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ‘ভুয়া উপদেষ্টা’ কাণ্ডে গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দীকে নিয়ে কাদের বলেন, “তার মত (সারওয়ার্দী) চতুর লোক, যে বারবার সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে, অবসরের পরে সেনাবাহিনীতে অপপ্রচার, গুজব যারা সৃষ্টি করে তাদের নায়ক হচ্ছে সারওয়ার্দী। তাকে নিয়ে আসছে সম্মেলনে।"

ভোটে এবারও জোট: আওয়ামী লীগ

 

২০০৮ সাল থেকেই জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করছে আওয়ামী লীগ। এবার কারা জোট থাকবেন সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে কিছু জানায়নি দলটি।




আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। শনিবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বুথগুলো ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের মতো দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।


শনিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।


তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগ বলেছে, তারা জোটবদ্ধভাবে নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ নির্বাচন করবে। আর সভাপতির স্বাক্ষরে তারা নমিনেশন দেবে।"

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে অশোক বলেন, “কোন কোন দল তাদের (আওয়ামী লীগের) সঙ্গে থাকবে এটা বলা নেই চিঠিতে।”


আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটের তরিখ দিয়ে যে তফসিল ঘোষণা হয়েছে তাতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো জোটবদ্ধ হয়ে লড়তে চাইলে শনিবারের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হবে।



নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোট ১০টি দলের পক্ষ থেকে জোটবদ্ধ হওয়ার কথা জানিয়ে চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ৯টিই গত নির্বাচনে মহাজোট নামে জোট গঠন করে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে মোকাবিলা করেছিল।


আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য দলগুলো হলো জাতীয় পার্টি, জাতীয় পার্টি-জেপি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ ও তরীকত ফেডারেশন।


নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ

এসব দলের মধ্যে সাম্যবাদী দল, ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণতন্ত্রী পার্টি নৌকা প্রতীকে ভোট করার কথা জানিয়েছে।


আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট করার বিষয়ে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে যে চিঠিটি এসেছে, সেটি দিয়েছেন দলের পৃষ্ঠপোষক ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু যে চিঠি দিয়েছেন, তাতে আবার বলা হয়েছে, জাতীয় পার্টির মনোনয়ন দেবেন চেয়ারম্যান জি এম কাদের। জোটবদ্ধ নির্বাচনের বিষয়ে কোনো কিছুর উল্লেখ নেই তাতে।



দুটো চিঠির মধ্যে কোন চিঠিটি আমলে নেওয়া হবে, এই প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব বলেন, "এটা কমিশন দেখবে।”


দলের সাইনিং অথরিটি (সই করার ক্ষমতা) কার- এই প্রশ্নে তিনি বলেন, "নরমালি দলের চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক বা মহাসচিব সাইনিং অথরিটি হয়। (জাপার বিষয়টি এখন) এটা কমিশনকে বলতে হবে।"


আওয়ামী লীগের শরিক বা সাবেক জোটের শরিক ছাড়া অন্য যে দলটি জোটবদ্ধ হওয়ার কথা বলেছে, সেটি হলো তৃণমূল বিএনপি। বিএনপির সাবেক নেতারা দলটি গড়ে তুলেছেন।


তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, তাদের জোটের প্রার্থীরা তৃণমূলের প্রতীক ‘সোনাশি আঁশ’ ব্যবহার করবেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ইসিকে অনুরোধ জানানো হয়।


জানতে চাইলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমরা একটা চিঠি দিয়েছি প্রগতিশীল ইসলামী জোটের প্রার্থী নিয়ে জোট করার জন্য। আমাদের দল সবার জন্য উন্মুক্ত, কেউ এলে তাদেরকে নিয়ে জোট করব।"

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ভোগান্তির শেষ কোথায়? | Birth Certificate Correction

  জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ভোগান্তির শেষ কোথায়? জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে কমছে না ভোগান্তি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এক মাস ধরে নিজস্ব সার্ভার ব্য...